রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

সাধারন ভাবে বেঁচে থাকা কি মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কতকাল মানব সমাজ তার আকাঙ্কখিত সমাজের জন্য অপেক্ষায় থাকবে

 সেক্যুলার সমাজ তৈরী মানুষের সারা জীবনের আকাংখা। প্রান্তিক মানুষের জীবন যাপনে ইচ্ছার বাস্তবায়ন কেনইবা এই আধুনিক যুগেও সম্ভব হয়ে উঠে না। এটা কি জীবন থেকে হতাশ হয়ে একপ্রকার পলায়নপর মানষিকতা নয়। এ যুগে সব মানুষের মধ্যেই একটা প্রবনতা পরিলক্ষিত হয়। সেটা হচ্ছে এখন সব মানুষই যেন একটা দর্শনীয় জীবনের সাথে তুলনা করে বাঁচতে চায়। এখনকার মানুষের করো মধ্যেই কোন প্রকৃত জীবনদর্শনের প্রতিফলন দেখা যায় না। সেক্যুলার সমাজের ধারনাটা হচ্ছে আসলে নির্বাচন সম্বন্ধে সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষতার সঙ্গে অবশ্যম্ভাবীরূপে স্টেকহোল্ডাররা তার বাস্তবায়নেরও রূপরেখা তৈরী করে দেবে। স্টেকহোল্ডারদের অতীত ইতিহাসকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে।তা না হলে একতরফা ও চাপিয়ে দেয়ার দায়মুক্তি হবে না এবং সামাজিক শৃঙ্গ্খলা নস্ট হতে বাধ্য। এটা কখনই কোন আলমনাক নয় বা একমাত্র গ্রহনযোগ্যতার ভিত্তি হিসাবে নির্বাচিত হবে না।গঠনতন্ত্রে প্রথম কন্ডিশানটির অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয়টি বাস্তবায়ন করার সম্ভাবনা একদমই নাই। এমনকি একটি প্রশিক্ষিত সমাজেও সেক্যুলারিজম সমাজ বিনির্মানে এইধরনের ভুল সিদ্ধন্তে উপনিত হতে দেখা যায়। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় একই ভুল বার বার হওয়ার অবকাশ নাই। ভুলগুলি শুধরে নেয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।ছাইচাপা আগুন একদিন বিদ্রোহী হয়ে উঠবেই।

সাধারন ভাবে বেঁচে থাকা কি মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কতকাল মানব সমাজ তার আকাঙ্কখিত সমাজের জন্য অপেক্ষায় থাকবে

 সেক্যুলার সমাজ তৈরী মানুষের সারা জীবনের আকাংখা। প্রান্তিক মানুষের জীবন যাপনে ইচ্ছার বাস্তবায়ন কেনইবা এই আধুনিক যুগেও সম্ভব হয়ে উঠে না। এটা ...